মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
পাতা

দর্শনীয় স্থান সমূহ

হযরত খাজা মালিক উলগাউস (রঃ)এর মাজার

(গড়াইটুপি অমরাবতী মেলা)

 

সংক্ষিপ্ত বিবরণ:হযরতখাজা মালিক উল গাউস (রাঃ) একজন সাধক ছিলেন। তিনি চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলাতিতুদহ ইউনিয়নের গড়াইটুপি গ্রামে একটি নির্জন মাঠে আস্তানা গড়ে তোলেন।সেখান থেকে তিনি ইসলাম ধর্ম প্রচার করতেন। এলাকায় পীর হিসেবে পরিচিতি লাভকরেন। ঐখানের তিনি বাংলা সনের ৭ আষাঢ় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। গড়াইটুপিগ্রামের মাঠের মধ্যে তার মাজার আছে। প্রতিবছর ৭ আষাঢ় হযরত খাজা মালিক উলগাউস (রাঃ) স্মরণে সাত দিন ব্যাপী মেলা অনুষ্ঠিত হয়। যাহা মেটেরী মেলাপরিচিত।

 

যেভাবে যেতে হবে:চুয়াডাঙ্গা শহর থেকে সরোজগঞ্জ বাজার তারপর ভ্যান যোগে তিতুদহ ইউনিয়নেরগড়াইটুপি গ্রামে হযরত খাজা মালিক উল গাউস (রাঃ) এর মাজার অবস্থিত।

 

সর্তকতা:আবাসন সুবিধা নেই। বিধায় দিনের আলোয় নিজ স্থানে ফিরে আসতে হবে।

    

ঠাকুরপুরের প্রচীন জামে মসজিদ

 

সংক্ষিপ্ত বিবরণঃ চুয়াডাঙ্গা জেলা সদরের অদূরে ঠাকুরপুর গ্রাম। চুয়াডাঙ্গ-ঝিনাইদাহ পাকা সড়কের কাছাকাছি এ গ্রামেই সদর উপজেলার সবচেয়ে প্রচীন মসজিদ অবস্থিত। প্রায় তিনশ বছর আগে শাহ মোঃ আফতাব উদ্দিন চিশতী ওরফে আফু শাহ এই মসজিদ টি প্রতিষ্ঠা করেন। এক গম্বুজ বিশিষ্ট এ মসজিদ টি পরর্বতিতে সর্ম্পসারন করা হয়েছে। সাদারণ মানুষের মধ্যে এ মসজিদ সর্ম্পকে ধারনা  প্রচলিত আছে যে, এটি গায়েবি মসজিদ। মসজিদের ভিত্তি দেখে মনে করা যায় যে, গম্বুজ অংশের বাইরেও পাকা ভিত্তির উপর অস্থায়ী ছাউনি ছিল। বর্গাকৃতীর আদি অংশের দেওয়াল ১৬ ফুট করে লম্বা। ২.৫ ফুট পুরু প্রচীর বিশিষ্ট মসজিদের দেয়াল নানা আকৃতির পাতলা ইট দিয়ে তৈরি করা হয়েছে। মসজিদ চত্বর সুপরিসর এলাকা নিয়ে গঠীত। প্রতি বছর ফালগুন মাসে ১২ তারিখে এখানে ওরশ হয়। ওরশ উপলক্ষে ওয়াজ মাহফিল, কাঙ্গালীভোজ ইত্যাদির আয়োজন করা হয়।

 

  

 

সরিষাডাঙ্গা বিষু শাহ-এর মাজার

 

 

সংক্ষিপ্ত বিবরণঃ মোমিনপুর ইউনিয়ানের সরিষাডাঙ্গা গ্রামে মরমী সাধক বিষু শাহ এবং একুশে পদক প্রাপ্ত খোদাবক্স শাহ এর মাজার আছে। খোদাবক্স শাহ সাধক বিষু শাহ এর ঐতিহ্য অনুসরন করে তার একনিষ্ট অনুষারী হিসাবে বিশেষ খ্যাতি লাভ করে। এ গ্রামে বাঙ্গালির চিরায়িত সাংস্কৃতিক চেতনা বিকাসের লক্ষে প্রতি বছর বিমাল মেলার আয়োজন করা হয় এবং বাংলার মরমী কবি লালন শাহ এর বাউল সংগীত সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। উক্ত সম্মেলনে দেশ বিদেশের স্বনামধন্য ওবরেণ্য শিল্পিরা অংশ গ্রহণ করে থাকেন।